ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তা নদীর করাল গ্রাসে বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

Desk Reporter
Desk Reporter
প্রকাশিত: ১০:৩৬ অপরাহ্ণ, জুন ৯, ২০২১

আশীষ কুমার রায় (গাইবান্ধা প্রতিনিধি) ভরা বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই গাইবা ন্ধা সদর উপজেলার কামারজানি ও মোল্লারচর ইউনিয়নে এবং সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের তিস্তা নদী ও ব্রহ্মপুত্র নদী ভাঙতে শুরু করেছে। কামারজানি ইউনিয়নের কুন্দের পাড়ায় ভাঙনের মাত্রা সবচেয়ে বেশি। গত ৭ দিনের ব্যবধানে ব্রহ্মপুত্র নদীর ভাঙনে কামারজানি ইউনিয়নে বিলীন হয়েছে কুন্দেরপাড়ার বেশকিছু ঘরবাড়িসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। হুমকির মুখে আছে আরো বেশ কয়েকটি ঘরবাড়িসহ, মসজিদ, ফসলীয় জমি।

নদী ভাঙনের ফলে ফসলী জমিসহ গাছ-পালা নদী গর্ভে বিলীন হতে যাচ্ছে। তীব্র নদী ভাঙনের আশঙ্কায় ভিটেমাটি ছেড়ে বাড়িঘর সরে নিয়ে নিরাপদ স্থানে যাচ্ছেন গরীব ও ভাংগন কবলিত মানুষ। সরেজমিনে দেখা
যায় গাইবান্ধা সদর উপজেলার কামারজানি ইউনিয়নের কামারজানি বাজার ফেরিঘাট থেকে শুরু করে কুন্দের পাড়া গ্রাম থেকে বালাসীঘাট পযর্ন্ত নদীর তীরবর্তী এলাকা তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে। অন্যদিকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের বোচাগারি গ্রামসহ পার্শ্ববর্তী গ্রাম সংলগ্ন প্রতিদিন ভারী বর্ষন ও উজান থেকে বয়ে আসা তিস্তার নদীর পানি তীব্র স্রোতে রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ী,ফসলী আবাদ ও চর অঞ্চল প্রতিনিয়ত নদী গর্ভে বিলীন হচ্ছে।

ফলে গ্রাম বাসীর অবর্নিয় কষ্টে দিন যাপন করছেন। গত সপ্তাহে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে মোল্লারচর ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরবর্তী এলাকার মোল্লারচর,বাতুলিয়া, চিতুলিয়ার, দিগার গ্রাম তীব্র আকারের ভাঙন শুরু হয়েছে। ফলে অনেকেই জীবনের ঝুকি নিয়ে নদীর পাড়েই বসবাস করছেন। ভাঙন কবলিতরা জানান,ব্রহ্মপুত্র নদীতে তীব্র স্রোত শুরু না হলেও বর্ষা মৌসুম শুরুর আগে বেশ কয়েক দিন ধরে বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়ো বাতাস বয়ে যাওয়ায় নদীতে সৃষ্টি হচ্ছে বড় বড় ঢেউ।ঢেউয়ের আঘাতে ভাঙছে ব্রহ্মপুত্রের পাড়। ঢেউয়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে পাড় ভেঙে বিলীন হয়ে যাচ্ছে নদীগর্ভে। কয়েকটি এলাকায় দেখা যায় শূন্য ভিটা পড়ে আছে।
দেখে বোঝা যাচ্ছে, কয়েক দিন আগেও এখানে ছিল বসতবাড়ি ও ফসলী আবাদ।হয়তো নদীভাঙনের কবল থেকে রক্ষা পেতে পরিবারগুলো অন্যত্র চলে গেছে।