কারারক্ষী হত্যার বিচার নাগাইশের মাটিতেই হবে: চেয়ারম্যান আবু জাহের

CNNWorld24
CNNWorld24 Dhaka
প্রকাশিত: 2:11 PM, January 1, 2021

কাজী রাশেদ, চান্দিনা,কুমিল্লাঃ সাবেক কারারক্ষী মোসলেম উদ্দীন হত্যার বিচার এই নাগাইশের মাটিতে হবে বলে
জানিয়েছেন ব্রাহ্মনপাড়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবু জাহের। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাদ
কুমিল্লার ব্রাহ্মনপাড়া উপজেলার নাগাইশ গ্রামের বড় মসজিদ প্রাঙ্গনে মোসলেম
উদ্দীনের জানাজায় তিনি এসব কথা বলেন। এ হত্যার ব্যাপারে সাবেক আইন মন্ত্রী আব্দুল মতিন খসরু এমপির সাথে কথা
হয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন এ ঘটনায় যারাই জড়িত থাক কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন শশীদল ইউনিয়ন ইউপি
চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন মাস্টার বাচ্চু মিয়া, শাহ আলম ঠিকাদার কামাল হোসেন ভূইয়া, ইউপিসসদস্য বাবুল,সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল লতিফ এলাকার
বিশিষ্টজনসহ সর্ব স্তরের জনগন।

মামলার সূত্র মতে গত ২৯ ডিসেম্বর সকাল আনুমানিক ৯টা নাগাদ মোসলেম
উদ্দীন তার নিজ বাড়ী থেকে ব্রাহ্মনপাড়া বাজারের উদ্দেশ্যে দক্ষিন নাগাইশ থেকে রওনা দেন। কিছুদুর যাওয়ার পর পূর্ব
শত্রুতার জের ধরে ছন্দু মুন্সীর ছেলে আঃ কুদ্দুস(৬০),শরাফত আলীর ছেলে ৪ ছেলে
শফিক(৪২),কাসেম(৫৫), আবুল মিয়া(৫০),মফিজ(৪৫), আবুল কাসেমের ছেলে আল-আমীন(২০) সহ প্রায় ৫০/৬০জন পূর্ব
থেকে উৎ পেতে লাঠি টেঁটা ইট পাটকেল
নিয়ে তার উপর হামলা চালায়।

এসময় শফিকের হাতে থাকা টেঁটা দিয়ে নিহত মোসলেম উদ্দীনের চোখে ঘাই মারে। এতে বাম চোখ সম্পূর্ণ গলে মাথায় গিয়ে আঘাত পায়। তার আর্তচিৎকার শুনে তার তিন ছেলে ছেলে মোঃ হেলাল উদ্দিন জালাল উদ্দিন ,শরিফ উদ্দিন সহ বাড়ির ৫/৬ জন তাকে উদ্ধার করতে গেলে তাদের
উপরও হামলা করে । এতে হেলাল উদ্দিনের হাতে মাছ ধরার চল বিদে যায় এবং ৪/৫জন আহত হয়।

৩০ডিসেম্বর দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মোসলেম উদ্দিন কুমিল্লায় মারা যায়।এ ঘটনায় তার দ্বিতীয় ছেলে হেলাল উদ্দীন বাদী হয়ে ২৯জনের
নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত ২৫ জন আসামী করে ব্রাহ্মনপাড়া থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার বাদী হেলাল উদ্দিন
জানান, আসামীরা হাসপাতালে নেয়ার পথরোধ করে রাখায় তার বাবাকে আহত অবস্থায় প্রায় দেড় ঘন্টা আটকে ছিল। পরে
পুলিশ এসে উদ্ধার করে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ব্রাহ্মনপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) কাজী নাজমুল হাসান বাবু জানান ,২৯ নভেম্বর
ঘটনার দিন আমরা সংবাদ পেয়ে গুরুতর আহত মোসলেম উদ্দীনকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠাই।
ঘটনার পর থেকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে ওই গ্রামে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং আর ইতোমধ্য ৩ জনকে আটক করা
হয়েছে