পরকীয়ার সময় হাতে নাতে আটক বদলগাছী থানার উপ-পরির্দশক আরিফুল ইসলাম, সাময়িক বরখাস্ত

CNNWorld24
CNNWorld24 Dhaka
প্রকাশিত: 7:26 PM, January 19, 2021

সানজাদ রয়েল সাগর, প্রতিনিধি বদলগাছী (নওগাঁ)ঃ
নওগাঁর বদলগাছীতে পরকীয়ার টানে অবৈধ মেলামেশা করতে গিয়ে এলাকাবাসীর হাতে আটক হয়েছেন বদলগাছী থানার উপ-পরির্দশক (এসআই) আরিফুল ইসলাম। ঘটনাটি ঘটেছে বদলগাছী উপজেলার কদমগাছী গ্রামে ।

খবর পেয়ে বদলগাছী থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করেছে। এবং আরিফুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্তের জন্য অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) এম.এ.মামুন খান চিশচিতে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। নওগঁার পুলিশ সুপার (এসপি) আব্দুল মান্নান মিয়া এই সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় গ্রামবাসীরা জানান, গত রোববার (১৭জানুয়ারী) দিবাগত রাতে বদলগাছী উপজেলার কদমগাছী গ্রামের বাসিন্দা পুলিশ কনস্টবল ফারুক রাব্বীর ফঁকা বাড়ীতে  জয়পুরহাট সদর উপজেলার প্রেমিকা খুশি পারভিনকে ডেকে নিয়ে যায় এসআই আরিফুল। সেখানে অবৈধ মেলামেশার সময় গ্রামবাসী জানতে পারে। এবং তাদেরকে আটক করে বদলগাছী থানায় খবর দেয় ।

খবর পেয়ে পুলিশ রাত সাড়ে ১২ টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে আরিফুল ইসলামকে উদ্ধার করে। এবং নওগাঁ পুলিশ সুপার (এসপি) আব্দুল মান্নান মিয়াকে বিষয়টি জানানোর পরপরই এসআই আরিফুলকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে নওগঁা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়। পরে তঁাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

কদমগাছী গ্রামের, মিজানুর রহমান (অনু) ও সোহাগ নামে দুই যুবকসহ একাধীক ব্যক্তি সাংবাদিকদের বলেন, গ্রামবাসী আরিফুল ইসলাম ও খুশি পারভিনকে অসামাজিক অবস্থায় দেখতে পায়। এমন সময় গ্রামবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে ও তঁাদের আটক করে। ঘটনা স্থলে পুলিশের উপ পরিদর্শক (এসআই) আরিফুল ইসলাম খুশি পারভিনকে বিবাহিত স্ত্রী বলে দাবি করেন।
কিন্তু স্থানীয় গ্রামবাসী ও জন প্রতিনিধির কাছে তাদের বিয়ের কোন প্রামান পত্র দেখাতে পারেনি তিনি।

এবিষয়ে পুলিশ এসআই আরিফুল ইসলাম সাংবাদিকদের কাছে কোন মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

বদলগাছী থানার অফিসার ইনচার্জ চৌধুরী জোবায়ের আহাম্মদ বলেন, এসআই আরিফুল ইসলামকে একজন নারীসহ গ্রামবাসী আটকে রেখে ছিলেন। সেখানে পুলিশ গিয়ে তঁাকে উদ্ধার করেছে।ওই নারীর কোন অভিয়োগ না থাকায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে নওগাঁর পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আব্দুল মান্নান মিয়া বলেন, আরফিুলকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। একইসাথে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে বিভাগীয় মামলার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।