পটুয়াখালীতে আমন ধান কাটা শেষে চাষীরা তরমুজ ও আলু চাষে ব্যস্ত চাষীরা

CNNWorld24
CNNWorld24 Dhaka
প্রকাশিত: 7:17 PM, February 1, 2021

পলাশ হাওলাদার;গলাচিপা,পটুয়াখালীঃ পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলায় আমন ধান কাটার শেষ হতেই তরমুজ ও আলুচাষীদের ব্যস্ততা সারা উপজেলায় লক্ষ্য করা গেছে। যদি কোন প্রকার প্রাকৃতিক দূর্যোগ না হয় তাহলে যে লক্ষ্যমাত্রা ধাযর্য করা হয়েছে তার চেয়েও অধিক ফলনের আশা কৃষকদের।

গলাচিপা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্তৃক তথ্য অনুযায়ী, গলাচিপা উপজেলায় তরমুজ চাষে ৬ হাজার ৫শত হেক্টর ও আলুচাষে ৩ শত ৫২ হেক্টর জমিতে আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে তরমুজ উৎপাদনে হেক্টর প্রতি ৫০ টন, উপজেলায় উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে মোট ৩ লক্ষ ২৫ হাজার টন।

আলু চাষে হেক্টর প্রতি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ টন, উপজেলায় উৎপাদনের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ হাজার টন।

তরমুজ প্রতি কেজি ১০ টাকা হারে হিসাব করলে ৩শত ২৫ কোটি টাকা বিক্রয়মূল্য দাড়াবে। আর আলু প্রতি কেজি ১০ টাকা ধরে হিসাব করলে ১২ কোটি টাকা বিক্রয় মূল্য দাড়াবে।

তরমুজ চাষে খরচ ধরা হয়েছে প্রতি হেক্টরে ২ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা। উপজেলায় মোট চাষে খরচ হবে ১শত ৪৯ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা। প্রতি হেক্টরে বিক্রি মূল্য ৫ লক্ষ টাকা। তরমুজ চাষে মোট লাভ হওয়ার সম্ভাবনা ১শত ৭৫ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা।

উপজেলায় আলুচাষে মোট খরচ হবে ৮ কোটি টাকা। প্রতি হেক্টরে বিক্রয়মূল্য ৩ লক্ষ টাকা। আলুচাষে মোট লাভ হওয়ার সম্ভাবনা ৪ কোটি টাকা। তরমুজ ও আলুচাষে লাভ হওয়ার সম্ভাবনা ১শত ৭৯ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা।

বোয়ালিয়ার এক তরমুজ চাষী বলেন, আমি ১ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ করেছি আমার এতে খরচ হবে ২ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা। প্রাকৃতিক দূর্যোগের কোন প্রকার ক্ষতি না হলে ৫ লক্ষ টাকার উপরে বিক্রয় করতে পারবো বলে আশা করি।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ আর এম সাইফুল্লাহ বলেন, আমন ধান কাটার সাথে সাথে তরমুজ ও আলুচাষীরা  দ্রুত চাষাবাদ শুরু করেন।

চাষের ব্যাপারে সঠিক ধারণা ও পরামর্শ দেওয়ার জন্য প্রতি ইউনিয়নে সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা সর্বদা তৎপর রয়েছে। যদি কোন প্রকার প্রাকৃতিক দূর্যোগ না হয়, তাহলে যে লক্ষ্যমাত্রা ধাযর্য করা হয়েছে তার চেয়েও অধিক ফলনের আশা কৃষকদের।