গাংনীতে বিতর্কিত কমিটি, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের হয়রানি ও মানহানির অভিযোগ

CNNWorld24
CNNWorld24 Dhaka
প্রকাশিত: 10:34 PM, February 1, 2021

আমিরুল ইসলাম অল্ডাম,মেহেরপুরঃ মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় বিতর্কিত কমিটির সদস্যদের মাধ্যমে যাচাই-বাছাইয়ের নামে বীর মুক্তিযোদ্ধাদেও হয়রানি ও মানহানির অভিযোগ পাওয়া গেছে।  ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ পত্র দাখিল করেছেন মুক্তিযোদ্ধাদের একাংশ।

আজ সোমবার সারাদিন উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা সভাকক্ষে জামুকার প্রতিনিধি বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফুল ইসলাম (অবঃ) সরকারী কর্মকতার্  যাচাই বাছাই কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নিবার্হী অফিসার যাচাই বাছাই কমিটির সদস্য সচিব হিসাবে উপস্থিত ছিলেন।

আজ উপজেলার কাজীপুর, মটমুড়া, বামন্দী ও ষোলটাকা ইউপির অভিযুক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সাক্ষাৎকার নেয়া হয়। এসময় যাচাই বাছাই বোর্ডের বাইরের একাধিক মুক্তিযোদ্ধা উপস্থিত থাকায় কাগজপত্র ও স্বাক্ষীদের হাজির করতে সমস্যা দেখা দেয়।  একপর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধাদের দুপক্ষের মধ্যে হৈচৈ, কথাকাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়।

বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হান্নান (৮০৬), আজগর আলী (১০৮৯), মোজাম্মেল হক (১০৪৭), ও আমিরুল ইসলাম (১০৫৫) স্বাক্ষরিত অভিযোগপত্র সূত্রে বলা হয়েছে, আমরা  মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা।

মুক্তিযুদ্ধকালীন ভারতীয়   বৈধ এবং  প্রয়োজনীয়  কাগজপত্র দিয়ে যথাযথঃ শর্ত পূরণ সাপেক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তালিকা ভুক্ত এবং ভাতাপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা।

আমরা গোপন সূত্রে জানতে পেরেছি যে, একটি কুচক্রীমহল আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এবং সম্মানের হানি করার উদ্দেশ্যে স্থানীয় কতিপয় মুক্তিযোদ্ধা প্রভাব বিস্তার করে তাদের আধিপত্য বিস্তার করে যাচাই বাছাই বোর্ডে কমিটির স্বাক্ষীদেও ভয়ভীতি দেখাচ্ছে এবং ভাতা বন্ধ করার হুমকি দিচ্ছে। গাংনীর গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের  যাচাই বাছাই সুষ্ঠু এবং সঠিক হবে না বলে আমরা আশংকা  করছি।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ২০০৪ সালে যাচাই -বাছাই  কমিটিতে  এবারের কমিটির জেলা  প্রশাসকের প্রতিনিধি কমান্ডার মুন্তাজ আলী, এবং এমপি মহোদয়ের প্রতিনিধি তাজউদ্দীনসহ গাংনীর ১৭ সদস্যবিশিষ্ট যাচাই বাছাই কমিটির সদস্যরা উপস্থিত থেকে যাচাই বাছাই করেছিলেন।

দীর্ঘ ১৬ বছর পর আবার মুক্তিতযোদ্ধা মুন্তাজ আলী ও মুক্তিযোদ্ধা তাহাজউদ্দীন যাচাই বাছাই বোর্ডে আমাদেরকে ডেকে হয়রানি ও প্রহসন করা হচ্ছে।

মুক্তিযোদ্ধারা জেলা প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করে বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের মান ইজ্জত রক্ষায়  আপনার সদয় সহযোগিতা ও প্রহসনের  যাচাই বাছাই বন্ধ করতে অনুরোধ জানিয়েছেন।