যশোরে মোটরসাইকেল ছিনতাইকারী সন্দেহে কলেজছাত্রকে পিটিয়ে হত্যা : আটক -১

CNNWorld24
CNNWorld24 Dhaka
প্রকাশিত: 7:01 PM, February 7, 2021

মহসিন মিলন,বেনাপোল: যশোরের মণিরামপুর উপজেলায় মোটরসাইকেল ছিনতাইকারী সন্দেহে বোরহান কবির (১৮) নামে এক কলেজছাত্রকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নাইম হোসেন নামে এক যুবককে গ্রেফতার
করেছে পুলিশ। তিনি কৃষ্ণবাটি গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে।রোববার সকালে ঢাকায় নেওয়ার পথে মৃত্যু হয় তার।

শনিবার বিকেলে মণিরামপুর উপজেলার খালিয়া এলাকায় পিটিয়ে রক্তাক্ত করা হয় তাকে।

এই ঘটনায় পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে নাইম হোসেনকে গ্রেফতার করেছে। তিনি কৃষ্ণবাটি গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে।নিহত বোরহান মণিরামপুর হাসপাতাল-সংলগ্ন মোহনপুর এলাকার আহসানুল কবিরের ছেলে। তিনি মণিরামপুর সরকারি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, শনিবার সকালে মোটর সাইকেল চালিয়ে খালিয়া গ্রামে যান বোরহান। ওইসময় রাজগঞ্জ-হেলাঞ্চি সড়কে নিজের মোটরসাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন নাইম হোসেন।রাস্তায় মোটরসাইকেল থামিয়ে তিনি মোবাইলে কথা বলছিলেন। তখন নিজের সাইকেল রেখে নাইমের কাছে মোটরসাইকেলের চাবি চান বোরহান।

বোরহান বলেন, ‘চাবি দেন, আমি একটু ঘুরে আসি।চাবি না দিলে বিষ খাইয়ে মেরে ফেলব।’ এই কথা শুনে ক্ষিপ্ত হয়ে রাস্তার পাশ থেকে লাঠি নিয়ে বোরহানকে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে রাস্তার পাশে মসুরক্ষেতে ফেলে রাখেন নাইম। পরে আশপাশের লোকজন এসে রাজগঞ্জ ক্যাম্পে খবর দেয়।

নিহতের বাবা আহসানুল কবির বলেন, ্#৩৯;মোটরসাইকেল ছিনতাই করা নিয়ে নয়, সাইকেল রাখা নিয়ে কথা কাটাকাটি করে ২-৩ জন মিলে আমার ছেলেকে মারপিট করেছে।পরে পুলিশ ছেলেকে ধরে ফাঁড়িতে নিয়ে যায়।বোরহানের মাথা ফেটে রক্ত বের হলেও তাকে হাসপাতালে না পাঠিয়ে পুলিশ হাতকড়া পরিয়ে ক্যাম্পে বসিয়ে রাখে। খবর পেয়ে আমরা অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে তাকে আনতে যাই। তখনও পুলিশ তাকে ছাড়েনি।্

#৩৯;মারপিটের ঘটনায় আটক নাইমকে আসামি করে শনিবার রাতে মণিরামপুর থানায় মামলা করেন বোরহানের বাবা। সেই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রাজগঞ্জ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই তপনকুমার নন্দী।

তপন নন্দী বলেন, উদ্ধার করে ক্যাম্পে নিয়ে চিকিৎসা করানো হয় বোরহানকে।পরে তাকে মণিরামপুর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

রোববার সকালে বোরহানের লাশ যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়। সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

রাজগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (পরিদর্শক) শাহজাহান আহমেদ বলেন, স্বজনদের অভিযোগ সত্য নয়। তাকে ক্যাম্পে চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে পাঠানো হয়।