মুরাদুল মোস্তাকিমের ড্রাগন চাষে সফলতার গল্প

Desk Reporter
Desk Reporter
প্রকাশিত: ১১:১৮ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১

মোঃ আবু মুসা জয়পুরহাট: মুরাদুল মোস্তাকিম। পাঁচবিবি উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকা ছাতিনালী গ্রামের আব্দুল মজিদের পুত্র । সে তিন ভাই বোনের মধ্যে সবার ছোট্ট । করেন একটি বে-সরকার প্রতিষ্ঠানে চাকুরী । কয়েক বছর আগে এক বড় ভাইয়ের নিকট থেকে একটি ড্রাগন চারা উপহার হিসাবে পেয়ে সেটি পরিক্ষামূলক ভাবে নিজ বাড়ীর ছাদে রোপন করেন। রোপনের কয়েক মাসের মধ্যে গাছে ফুল আসলে তার কাছে সেটি বিস্ময়কর মনে হয়। প্রাথমিকভাবে সু-স্বাদু ও পুষ্টিকর ফল ড্রাগন চাষে পরিক্ষামূলকভাবে রোপনের পর ফলাফল ভাল , অত্যন্ত লাভজনক ও সফল হওয়ায় পরে ইউটিউব ঘেটে ড্রাগন চাষের বিস্তারিত দেখে নিজের ১৬শতক জমিতে আরো ৫শটি চারা রোপন করেন তিনি। এরপর আর পিছন ফিরে থাকাতে হয়নি তাকে। এখন সেই বাগান থেকে ফল সংগ্রহ করে বিক্রি করছেন। সেখানে নিজে লাভবান হওয়ার পাশাপাশি অন্যকেও উদ্ধত্ত্য করেছেন ড্রাগন চাষে। কোনো প্রকার রাসানিক ওষুধ ছাড়াই জৈব সার প্রয়োগ করে ড্রাগন চাষ করে ইতোমধ্যেই পুরো উপজেলায় তাক লাগিয়ে দিয়েছেন । এখন তার ড্রাগন বাগান দেখতে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকার লোকজন ভিড় জমাচ্ছেন।

তিনি জানান, একটি ড্রাগন গাছ বছরে ১০ মাস ফল দেয়। এর জীবনকাল ১২ বছর। এক একর জমিতে ড্রাগন চাষে খরচ হয় ৫লক্ষ টাকা। ফলন ভাল হলে এক একর  জমি থেকে ড্রাগন ফল বিক্রি হবে প্রায় ১৫লক্ষ টাকা। খরচ বাদে লাভ হবে প্রায় ১০লক্ষ টাকা। ফল বিক্রির পাশাপাশি চারা সংরক্ষণ করেও আরো অতিরিক্ত আয় করা সম্ভব। তবে সরকারীভাবে সহযোগিতা পেলে আগামীতে ড্রাগন চাষ আরো সম্প্রসারিত করার আশা রয়েছে তার।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ লুৎফর রহমান বলেন, সু-স্বাদু ও পুষ্টিকর একটি ফল ড্রাগন । এটি চাষে লাভজনক হওয়ায় অনেকেই বাণিজ্যিকভাবে চাষ শুরু করেছে। ড্রাগন চাষে আগ্রহীরা যোগাযোগ করলে কৃষি বিভাগ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে বলে তিনি জানান।