২০২১ সাল থেকে ইবতেদায়ি সমাপানী মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে

CNNWorld24
CNNWorld24 Dhaka
প্রকাশিত: 8:18 AM, December 10, 2020

সরকার মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ইবতেদায়ি শিক্ষার চূড়ান্ত পরীক্ষা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে২০২১ সাল থেকে ইবতেদায়ি সমাপানী মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে।
সরকার মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ইবতেদায়ি শিক্ষার চূড়ান্ত পরীক্ষা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা
বিভাগ ইবতেদায়ি চূড়ান্ত পরীক্ষা করার জন্য সম্প্রতি বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডকে একটি চিঠি দিয়েছে
কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম খান বলেন, এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডকে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। শিক্ষা

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের
পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্তির সাথে চূড়ান্ত পরীক্ষা নিত। দুটি পরীক্ষায় প্রায় ৩ মিলিয়ন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল।
এ বছরও ২৯ লক্ষ তিন হাজার ৩৩৮ জন প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষার চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল। এর মধ্যে প্রাথমিক ফাইনালে ২৫
লাখ ৫৩ হাজার ২৬৭ জন এবং ইবতেদায়ী ফাইনালে তিন লাখ ৫৫ হাজার ৩৭১ জন। যদিও এই দুটি প্রাথমিক স্তরের পরীক্ষা পরিচালনার জন্য একটি
পৃথক বোর্ড গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, শেষ পর্যন্ত সরকার ইবতেদায়ি শিক্ষার চূড়ান্ত পরীক্ষা কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগগুলিকে অর্পণ
করে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রকের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে যে প্রাথমিক শিক্ষার চূড়ান্ত পরীক্ষা ২০০৯ সাল থেকে চালু হয়েছে। এরই
ধারাবাহিকতায় ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা ২০১০ সাল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা দিয়ে শুরু হয়েছিল।
তার পর থেকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রকের আওতায় প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা এবং ইবতেদায়ি সমাপ্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৯
অবধি ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রকের অধীনে পরিচালিত হয়েছে। কোভিড -১৯-এর পরিস্থিতির কারণে, ২০২০
সালের প্রাথমিক শিক্ষার চূড়ান্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। ’

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে যে ৩০ নভেম্বর, ২০১৬ তে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ নামে একটি পৃথক বিভাগ গঠনের পর থেকে মাদ্রাসা শিক্ষা
কার্যক্রম কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ কর্তৃক পরিচালিত হচ্ছে। ‘যেহেতু মাদরাসার ইবতেদায়ি স্তর কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ এবং
বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অন্তর্ভুক্ত তাই ইবতেদায়ি চূড়ান্ত পরীক্ষা সংক্রান্ত কার্যক্রম বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের হাতে নিতে
হবে। ’ চিঠিতে বলা হয়েছে যে, এ অবস্থায় ২০২১ সাল থেকে ইবতেদায়ি শিক্ষার চূড়ান্ত পরীক্ষার সকল কার্যক্রম গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
গত ২৩ নভেম্বর কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য একটি চিঠি দেওয়া
হয়েছিল। চিঠিটি নিশ্চিত করে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কায়সার আহমেদ বলেছেন যে তারা সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত
বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নেবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা

বিভাগ ইবতেদায়ি চূড়ান্ত পরীক্ষা করার জন্য সম্প্রতি বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডকে একটি চিঠি দিয়েছে।
কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম খান বলেন, এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডকে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। শিক্ষা
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের
পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্তির সাথে চূড়ান্ত পরীক্ষা নিত। দুটি পরীক্ষায় প্রায় ৩ মিলিয়ন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল।

এ বছরও ২৯ লক্ষ তিন হাজার ৩৩৮ জন প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষার চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল। এর মধ্যে প্রাথমিক ফাইনালে ২৫
লাখ ৫৩ হাজার ২৬৭ জন এবং ইবতেদায়ী ফাইনালে তিন লাখ ৫৫ হাজার ৩৭১ জন। যদিও এই দুটি প্রাথমিক স্তরের পরীক্ষা পরিচালনার জন্য একটি
পৃথক বোর্ড গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, শেষ পর্যন্ত সরকার ইবতেদায়ি শিক্ষার চূড়ান্ত পরীক্ষা কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগগুলিকে অর্পণ
করে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রকের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে যে প্রাথমিক শিক্ষার চূড়ান্ত পরীক্ষা ২০০৯ সাল থেকে চালু হয়েছে। এরই
ধারাবাহিকতায় ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা ২০১০ সাল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা দিয়ে শুরু হয়েছিল।

তার পর থেকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রকের আওতায় প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা এবং ইবতেদায়ি সমাপ্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৯
অবধি ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রকের অধীনে পরিচালিত হয়েছে। কোভিড -১৯-এর পরিস্থিতির কারণে, ২০২০
সালের প্রাথমিক শিক্ষার চূড়ান্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। ’

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে যে ৩০ নভেম্বর, ২০১৬ তে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ নামে একটি পৃথক বিভাগ গঠনের পর থেকে মাদ্রাসা শিক্ষা
কার্যক্রম কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ কর্তৃক পরিচালিত হচ্ছে। ‘যেহেতু মাদরাসার ইবতেদায়ি স্তর কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ এবং
বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অন্তর্ভুক্ত তাই ইবতেদায়ি চূড়ান্ত পরীক্ষা সংক্রান্ত কার্যক্রম বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের হাতে নিতে
হবে। ’ চিঠিতে বলা হয়েছে যে, এ অবস্থায় ২০২১ সাল থেকে ইবতেদায়ি শিক্ষার চূড়ান্ত পরীক্ষার সকল কার্যক্রম গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
গত ২৩ নভেম্বর কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য একটি চিঠি দেওয়া
হয়েছিল। চিঠিটি নিশ্চিত করে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কায়সার আহমেদ বলেছেন যে তারা সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত
বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নেবে