ইসলাম শিক্ষা ও কোরআন রাখার দায়ে ১৪ বছর কারাদণ্ড

Desk Reporter
Desk Reporter
প্রকাশিত: ৭:৫২ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ১৪, ২০২২

আন্তর্জাতিক: প্রতিবেশী শিশুদের ইসলামিক শিক্ষা দেয়া ও কোরআন রাখার দায়ে চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে এক উইঘুর নারীকে-১৪ বছর কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।৪ বছর আগে কোন এক মধ্যরাতে তাকে আটক করা হয়েছিল।

ডব্লিউআইওএনের এক খবরে বলা হয়েছে যে, জিনজিয়াং এর চাংজি হুই স্বায়ত্তশাসিত জেলার মানাসি কাউন্টির বাসিন্দা-৫৭ বছর বয়সী হাসিয়াত এহমাত কে- ২০১৭ সালের মে মাসে চীনা কর্তৃপক্ষ আটকের পর আর কোনো খোঁজ-খবর পাওয়া যাচ্ছিল না।

আর তাকে নিয়ে রেডিও ফ্রি এশিয়া প্রথম এক খবর প্রকাশ করেছিল। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি বলছেন, শিশুদের ইসলাম ধর্মীয় শিক্ষা দেয়ার কারনে ৭ বছর আর  গোপনে কোরআন রাখায় দায়ে আরও ৭ বছরের কারাদণ্ডের সাজা দেয়া হয়েছে ওই নারীকে।

মানাস কাউন্টির বাসিন্দাদের নিকট থেকে পুলিশ যখন ধর্মীয় গ্রন্থ জব্দ করেছিল, তখন ওই নারীর কাছ ২ কপি কোরআনও পাওয়া গেছে।

এর পর মধ্যরাতে পুলিশ তার বাসায় ঢুকে তাকে ধরে নিয়ে যায়। এমনকি সে সময় তাকে পোশাক বদলানো বা প্রয়োজনীয় ওষুধ-পত্রও সঙ্গে নেয়ারও সুযোগ দেয়া হয়নি।

রেডিও ফ্রি এশিয়া বলছেন, উইঘুর ব্যবসায়ী, বুদ্ধিজীবী, সাংস্কৃতিক এবং ধর্মীয় ব্যক্তিদের আটক অব্যাহত রেখেছেন চীনা কর্তৃপক্ষ। ধর্মীয় উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসী তৎপরতা বন্ধে সংখ্যালঘুদের পর্যবেক্ষণ, নিয়ন্ত্রণ এবং একীভূত করতেই এই দমনাভিযান চলছে বলে দাবি চীনাদের।

২০১৭-সাল থেকে-১৮ লক্ষ উইঘুর ও তুর্কি সংখ্যালঘুকে জিনজিয়াং এর বিভিন্ন বন্দিশালায় আটকে রাখা হয়েছে। বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের নামে শুধু এসব মুসলমানদের ওপর চরম নির্যাতন চালানো হয়েছে।

 

তবে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলো  দাবি করেছেন যে, চীনা কর্তৃপক্ষ উইঘুর মুসলমানদের ওপর গণহত্যা চালিয়েছেন বলেও ।