১৪০০ বছর আগের মহানবীর (সা.) যে বাণী স্বীকার করল বিজ্ঞান

CNNWorld24
CNNWorld24 Dhaka
প্রকাশিত: 5:08 PM, January 24, 2021

যারা দুনিয়ায় আল্লাহর হুকুম এবং তার রাসূল হজরত মুহাম্মদ (স.)-এর দেখানো পথে অনুসরণ করবেন তারা জান্নাতে যাবেন, সেখানে তারা পরম শান্তিতে বসবাস করবেন। যার শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। জান্নাতিদের জন্য রয়েছে সেখানে সবচেয়ে আকর্ষণীয় নেয়ামত আল্লাহর দিদার দর্শন। জান্নাতের নেয়ামত, সুখ শান্তি, ঐশ্বর্য সম্পর্কে কোরআন ও হাদিসে বহু বর্ণনা রয়েছে। জান্নাতে প্রবেশের জন্য আটট দরজা রয়েছে।যারা সফল হয়েছেন মর্যাদা অনুযায়ী এসব দরজা দিয়ে তারা জান্নাতে প্রবেশ করবেন।

জান্নাতের আটটি দরজার প্রত্যেকটিতে রয়েছে দুটি করে পাল্লা। নবী কারিম (সা.) দুই পাল্লার মধ্যবর্তী জায়গা কতটা প্রশস্ত সে সম্পর্কেও স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন।

হাদিসের বিশুদ্ধ গ্রন্থ মুসলিম শরিফের এক হাদিসে নবী (সা.) বলেছেন, জান্নাতের দরজার দুই পাল্লার মাঝখানের প্রশস্ততা মক্কা শরিফ থেকে বাহরাইনের হাজার অথবা মক্কা শরিফ থেকে সিরিয়ার বুশরার দূরত্বের সমান।

আজ থেকে ১৪০০ বছর আগে মহানবী (সা.) এ বাণী দিয়েছিলেন।নবী যদি বলতেন, জান্নাতের দরজার ‍দুই পাল্লার মধ্যবর্তী দূরত্ব মক্কা শরিফ থেকে হাজার পর্যন্ত তাহলে এ নিয়ে এ মুহূর্তে হয়তো আলোচনা হতো না।তিনি সঙ্গে সঙ্গে বলেছেন অথবা জান্নাতের দুই দরজার মধ্যবর্তী দূরত্ব মক্কা শরিফ থেকে বুশরার দূরত্বের সমান।

মহানবীর এ কথায় স্পষ্ট হয় যে, মক্কা থেকে হাজার বা মক্কা থেকে বুশরার দূরত্ব সমান। সম্প্রতি স্যাটেলাইট প্রযুক্তিতে পাওয়া ছবিতেও দেখা গেছে মক্কা থেকে বুশরা এবং মক্কা থেকে হাজার একই দূরত্বের মধ্যে অবস্থিত।

রোববার ইসলাম প্র্যাকটিস নামে একটি ফেসবুক পেজ তাদের এক পোস্টে বিষয়টি ‍তুলে ধরেছেন।সেখানে পোস্ট করা হয়েছে স্যাটেলাইটে পাওয়া ছবিটি । ছবিতে দেখা যায় যে, মক্কা থেকে সিরিয়ার বুশরার দূরত্ব এক হাজার ২০০ কিলোমিটার। অন্যদিকে মক্কা শরিফ থেকে বাহরাইনের হাজারের দূরত্বও এক হাজার ২০০ কিলোমিটার।

৫৭০ খ্রিস্টাব্দে আরবের মক্কা নগরীতে জন্মগ্রহণ করেন শেষ নবী ও রাসূল হজরত মুহাম্মদ (স.)। ৪০ বছর বয়সে তিনি আল্লাহর তরফ থেকে নবুওয়াত লাভ করেন। ৬১০ খ্রিস্টাব্দে তিনি ইসলাম প্রচার শুরু করেন। তিনি মদিনায় হিজরত করেন ৬২২ খ্রিস্টাব্দে। দীর্ঘ ২৩ বছর একটু একটু করে প্রয়োজন অনুযায়ী মহানবীর (সা.) ওপর কোরআন নাজিল হয় এবং ৬৩২ খ্রিস্টাব্দে তিনি ওফাত লাভ করেন।