মেজর সিনহা হত্যা: জামিন আবেদন খারিজ

Desk Reporter
Desk Reporter
প্রকাশিত: ১২:০৮ পূর্বাহ্ণ, জুন ২৯, ২০২১

নিউজ ডেস্ক: অবসরপ্রাপ্ত সেনাবাহিনীর মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় সশস্ত্র পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) তিন সদস্যের জামিন আবেদন উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি ফরিদ আহমেদ ও বিচারপতি মহিউদ্দিন শামীমের সমন্বিত ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার (২৮ জুন) এ আদেশ দেন।

অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ মোর্শেদ এবং ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুজিত চ্যাটার্জি বাপ্পি আদালতে রাজ্যের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। আইনজীবী মাহবুবুর রহমান আসামির পক্ষে ছিলেন।

তিনজন হলেন- উপ-পরিদর্শক (এসআই) শাহজাহান আলী, কনস্টেবল রাজীব ও মোহাম্মদ আবদুল্লাহ।

২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজারের টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শমলাপুর চেকপোস্টে গাড়ি তল্লাশিকে কেন্দ্র করে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান।

গত বছরের ৫ আগস্ট নিহতের বড় বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বাদী হয়ে বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সাবেক ইনচার্জ (পরিদর্শক) লিয়াকত আলীকে প্রধান করে টেকনাফ সাবেক থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাসসহ নয় পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। ।

আদালত র‍্যাবকে মামলা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।এরপর ৬ আগস্ট প্রধান আসামি লিয়াকত আলী ও প্রদীপ কুমার দাশসহ সাত পুলিশ সদস্য আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।

১৩ ডিসেম্বর প্রদীপ কুমার দাশ এবং আরও ১৫ জনকে এই মামলায় অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় তদন্ত কর্মকর্তা র‍্যাব-১৫ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. খায়রুল ইসলাম।

২৭ জুন কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইসমাইল ১৫ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ নেওয়ার তারিখ নির্ধারণ করেছেন।

অভিযুক্তরা হলেন- ইন্সপেক্টর লিয়াকত আলী, টেকনাফ থানার প্রাক্তন ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন, আবদুল্লাহ আল-মামুন, মোহাম্মদ মোস্তফা, এপিবিএন এর তিন সদস্য এসআই মোহাম্মদ শাহজাহান, কনস্টেবল মোহাম্মদ রাজিব ও মো. আবদুল্লাহ। মামলার তিন সাক্ষী হলেন- নুরুল আমিন, নেজাম উদ্দিন ও মোহাম্মদ আয়াজ, প্রাক্তন এএসআই সাগর দেব ও টেকনাফের প্রাক্তন কনস্টেবল রুবেল শর্মা ।