দেশে আরও-১ কোটি ২৯ লক্ষ ডোজ ভ্যাকসিন আসবে:স্বাস্থ্যমন্ত্রী

Desk Reporter
Desk Reporter
প্রকাশিত: ১:৩৮ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ২০, ২০২১

 

স্বাস্থ্য ডেস্ক:আগস্ট মাসের মধ্যে দেশে আরও-১ কোটি ২৯ লক্ষ ডোজ ভ্যাকসিন দেশে আসবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। -১৯ জুলাই-সোমবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের এ কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, এই ১ কোটি ২৯ লক্ষ ভ্যাকসিনের মধ্যে অ্যাস্ট্রাজেনেকার-২৯ লক্ষ, সিনোফার্মে-৪০ লক্ষ এবং জনসন অ্যান্ড জনসনের ৬০ লক্ষ ভ্যাকসিন রয়েছে। আর এরমধ্যে সিনোফার্মের-৪০ লক্ষ টিকার-১০ লক্ষ পাওয়া যাবে উপহার হিসেবে । বাকী ৩০ লাখ কেনা হয়েছে।

ভ্যাকসিনের বয়সসীমা-১৮তে নামিয়ে আনা হবে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনের পর ফাইজার, মডার্না এবং সিনোফার্ম থেকেও কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিনপ্রাপ্তী নিশ্চিত হয়েছে। এখন আরও বেশি দ্রুত মানুষকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনতে বয়সসীমা কমানো হবে।

এর আগে,১৯ জুলাই সোমবার সন্ধ্যায় কাতার এয়ারওয়েজের বিশেষ ফ্লাইটে যুক্তরাষ্ট্রের মডার্নার তৈরী করোনা ভাইরাসের আরও -৩০ লাখ ভ্যাকসিন ঢাকায় পৌঁছেছে। এ নিয়ে কোভ্যাক্সের মাধ্যমে বাংলাদেশকে মডার্নার-৫০ লক্ষ টিকা উপহার দিল যুক্তরাষ্ট্র।

এর আগে গত শনিবার-১৭ জুলাই ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলারও এক টুইটে ভ্যাকসিন আসার বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন।

ওই টুইট বার্তায় রাষ্ট্রদূত জানিয়েছিলেন,অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের পক্ষ থেকে আরও -৩০ লক্ষ ডোজ মডার্নার ভ্যাকসিন উপহার হিসেবে দেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশকে।

বাংলাদেশসহ বিশ্বে ভ্যাকসিন সরবরাহ বাড়িয়ে করোনাকে পরাজিত করা এবং কোভিড-১৯ মুক্ত পৃথিবী গড়ার লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্র অঙ্গীকারবদ্ধ।

২২-জুন হোয়াইট হাউস করোনার ভ্যাকসিন বৈশ্বিক উদ্যোগ কোভ্যাক্সের মাধ্যমে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার-৮টি দেশের পাশা-পাশি এশিয়ার-১৮টি দেশকে নতুন করে ১ কোটি ৬০ লক্ষ ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা ঘোষণা করে।

এছাড়া বিশ্বের আরও ৩০টি দেশ ও জোটকে যুক্তরাষ্ট্র সরকার-১ কোটি ৬০ লক্ষ ডোজ দেবে, সেই তালিকায়ও রয়েছে বাংলাদেশের নাম।

জুনের ৩ তারিখ হোয়াইট হাউস আড়াই কোটি টিকা বণ্টনের ঘোষণা দিয়েছিল। তাতেও এশিয়ার দেশগুলোর জন্য ৭০ লক্ষ টিকা যেসব দেশে দেওয়া হবে, তার মধ্যে বাংলাদেশকে রাখা হয়েছে।

কোভ্যাক্সের পূর্ণাঙ্গ রূপ হলো কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনস গ্লোবাল অ্যাকসেস ফ্যাসিলিটি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা -ডব্লিউএইচও- ছাড়াও উদ্যোগটির সাথে রয়েছে কোয়ালিশন ফর এপিডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস ইনোভেশন এবং দাতব্য সংস্থা গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশন -জিএভিআই-।

এ উদ্যোগের লক্ষ ও উদ্দেশ্য হচ্ছে, ভ্যাকসিন মজুত করে না রেখে ধনী-গরিব নির্বিশেষে সর্বোচ্চ ঝুঁকির দেশগুলোতে তা বণ্টন করার জন্য বিভিন্ন দেশের সরকারকে উৎসাহিত করা।

আর এর আগে চলতি মাসের প্রথমেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে মডার্নার-২৫ লক্ষ ভ্যাকসিন দেশে এসেছে। একই সাথে চীন থেকে সিনোফার্মের-২০ লক্ষ ভ্যাকসিন আসে। আর এরপরই দেশব্যপী প্রথম ডোজের সিনোফার্ম টিকার প্রয়োগ শুরু হয়।