সিরাজগঞ্জের কাজীপুরে যমুনার তীর সংরক্ষণ কাজের ৮০ মিটার যমুনায় বিলীন

Desk Reporter
Desk Reporter
প্রকাশিত: ১০:৪৯ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৯, ২০২১

আমিনুল ইসলাম,সিরাজগঞ্জঃ সিরাজগঞ্জের কাজীপুরে যমুনা নদীর তীর সংরক্ষণ কাজের ৮০ মিটার এলাকায় ধস নেমেছে। উপজেলার মাইজবাড়ি ইউনিয়নের ঢেকুরিয়া-বিলচতল জিরোপয়েন্টের ১শ মিটার ভাটিতে এই ধস নামে।

রবিবার গভীর রাত ৩টার দিকে বিকট শব্দে এই ধ্বস শুর“ হয়ে সোমবার দুপুর পর্যন্ত নতুন করে দুটি স্থানে অন্তত ৮০ মিটার এলাকা ধসে যায়। ধ্বস রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড জিও ব্যাগে বালি ভবে ফেরলেও স্থানীয়রা বলছে এটি কোন পদক্ষেপ না। নিয়মিত মনিটরিং না করা এবং ধ্বসে যাওয়া স্থান থেকে প্রভাবশালীদের বালু উত্তোলনের কারণে তীব্র স্রোতের সৃষ্টি থেকে বাঁধ ধ্বসে যাচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান,রাতেই নদীর তীর ঘেঁষে বসবাসরত প্রায় ১০টি বাড়ি ও তিনটি টং দোকানঘর সরিয়ে নিয়েছেন স্থানীয়রা। গতবছরও একই স্থানে ভাঙন ধরেছিল। গত তিন দিন আগেও এই স্থানের ১শ মিটার উজানে তীর রক্ষা বাঁধের ৩০ মিটার ধসে নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ণ বোর্ডসুত্রে জানাগেছে,২০১১-২০১৫ সালে যমুনা নদীর ডানতীর সংরক্ষণ কাজের জন্য প্রায় ৫২০ কোটি টাকা ব্যায়ে এই বাঁধ নির্মাণ করা হয়। কিন্তু গত কয়েক বছর থেকে ওই এলাকার বিভিন্ন স্থানে স্থানীয় সরকার দলীয় প্রভাবশালীরা অবৈধ ভাবে ড্রেজিং মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করার কারণে গভীর খাদের সৃষ্টি হয়েছে। যে কারণে স্কাওয়ারিং হয়ে অতিরিক্ত স্রোতে বাঁধের নীচ থেকে সিসি ব্লক সরে গিয়ে ধসের সৃষ্টি হচ্ছে।

এবিষয়ে সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে কাজিপুর বাঁধ এলাকার কাজে দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা একই দপ্তরের উপসহকারি প্রকৌশলী হায়দার আলীকেও ধসে যাওয়অ স্থানে পাওয়া না গেলেও তিনি ফোনে জানান,আমাদের মনিটরিং ও গাফিলতি নেই। তিনি এসময় বালু উত্তোলনের কথা কৌমলে এরিয়ে বলেন,রবিবার সকাল থেকে ভাঙন স্থানে এখন পর্যন্ত জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধের কাজ চলছে।

আকস্মিক নদীর তীর রক্ষা বাঁধে ধসের ফলে ইতোমধ্যে ওই এলাকাবাসির মধ্যে আতংক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা এর স্থায়ী ভাবে সমাধান চান।