ঝুট শিল্পের প্রসারে জেলা প্রশাসকদের ডিওলেটার দিলেন কাজিপুরের ইউএনও

Desk Reporter
Desk Reporter
প্রকাশিত: ১২:২২ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ১৯, ২০২১

কাজিপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার ঝুটশিল্পের প্রচার এবং প্রসারের লক্ষ্যে সকল জেলা প্রশাসককে আধা সরকারি পত্র(ডিও লেটার) পাঠিয়েছেন কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদ হাসান সিদ্দিকী।

বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) এ সংক্রান্ত একটি পত্র ‘ইউএনও কাজিপুর’ পেজে আপলোড করা হয়েছে। এর আগে গত বছর তিনি সকল ইউএনকে উদ্দেশ্য করে এই পত্র দিয়েছিলেন। আশির দশকের শেষদিকে শুরু হওয়া এই শিল্প এখন এলাকার গন্ডিছাড়িয়ে দেশের নানা প্রান্তের মানুষের চাহিদা পূরণ করে চলেছে। বিশেষ করে দেশের উত্তরাঞ্চলের ১৭ টি জেলায় শীতের কম্বল হিসেবে এখানকার কম্বলের চাহিদা ব্যাপক। প্রায় ছত্রিশ হাজার শিক্ষিত,স্বল্পশিক্ষিত কিংবা স্বশিক্ষিত নারী ও পুরুষ এই শিল্পের সাথেজড়িত। এসব দিক বিবেচনায় এনে কাজিপুরের ইউএনও দেশের সব ইউএনওদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে পত্র দিয়েছেন।

জেলা প্রশাসকদের উদ্দেশ্যে পত্রে ইউএনও উল্লেখ করেছেন, ‘জাতীয় চার নেতার অন্যতম সাবেক প্রধানমন্ত্রী শহিদ ক্যাপটেন এম মনসুর আলীর স্মৃতি বিজড়িত ঐতিহ্যবাহী কাজিপুর উপজেলার শিমুলদাইড় বাজারকে কেন্দ্র করে মানসম্মত কম্বল তৈরি হচ্ছে। বেকার জনগোষ্ঠীর নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করা এই শিল্পের বিকাশে এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে ভূমিকা রাখতে এই কম্বল ব্যবহার করা যেতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী ও নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে গুরুত্ব দিয়েছেন। সেক্ষেত্রে আপনার সহযোগিতা কামনা করছি। শীত মৌসুমে সরকারি, বেসরকারিভাবে কাজিপুর উপজেলা হতে স্বল্পমূল্যে মানসম্মত কম্বল সংগ্রহ করে এই শিল্পকে বিকশিত

করতে আপনার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি।ইউএনও জাহিদ হাসান সিদ্দিকী জানান, গত বছর আমার পত্রে সাড়া দিয়েছেন অনেক ইউএনও এবং জেলা প্রশাসকগণ।

এতে করে অন্য যেকোন সময়ের চেয়ে বেচাকেনা বেশি হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। তাই এবার জেলা প্রশাসকদের ঋদ্দেশ্যে প্রেরণ করলাম। এতে করে তাঁরাও সঠিক ও মানসম্মত পণ্যের খোঁজ পেলেন আর বিক্রিও বেশি হতে পারে। লাভ দু পক্ষেরই। তিনি আরও জানান“ কোন প্রকার ব্যাংক ঋণ সুবিধা, উপযোগী স্থান, পরিবেশ ও বাজার ব্যবস্থা ছাড়া ব্যক্তি উদ্যোগেই এই শিল্পে এখন অনেক বেকারের কর্মসংস্থান হয়েছে। সেক্ষেত্রে সরকারিভাবে তাদের বাজার সৃষ্টি করে দিতে পারলে এই শিল্পে কমপক্ষ্যে লক্ষাধিক বেকারের কর্মসংস্থান সম্ভব হবে। এ কারণেই আধা সরকারি পত্র দিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ