কোভিড-১৯ ঝুঁকি-ভাবনা এবং আমরা

Desk Reporter
Desk Reporter
প্রকাশিত: ১২:০০ অপরাহ্ণ, জুন ২১, ২০২১

রানা চৌধুরীঃ
বিশ্বব্যাপী আবারো মাথা চারা দিয়েছে “কোভিড-১৯ “ডব্লিউএইচওর প্রধান কর্মকর্তার তথ্য মতে বিপদ জনক পথে রয়েছে কিছু দেশ,ফলে প্রস্তুতির নেবার এখনি উত্তম সময়।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীন থেকে সংক্রমণ শুরু হবার পর বিশ্বব্যাপী এ পর্যন্ত প্রায় ১৮৯টি দেশে এর সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। কিছু সতর্কতার অভাব বা অনিয়মের কারনে কোভিড-১৯ আবারো দ্রুত প্রভাব বিস্তার করে চলেছে। ইতোমধ্যে দু-একটি দেশ আবার আগের মতো লকডাউন-এ ফিরে গিয়েছে।
সম্প্রতি মহামারী এ ভাইরাস একদিকে যেমন আশঙ্কা জনক হাড়ে বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে তেমনি অন্যদিকে এ ঝুঁকির পেছনে যথেষ্ঠ যুক্তি-যুক্ত কারনও রয়েছে। এখন এ করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা সামলানো জাতীর সামনে এক অগ্নী পরীক্ষা।

মহামারী প্রথম দিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য ব্যবস্থা কেমন ছিল তা প্রায় প্রত্যেকেই জানা। এমন সময়ে যদি করোনায় নির্দিষ্ট স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে করোনার প্রকোপ হ্রাস পেত। রাতারাতি জনসাধারণও পূর্ববর্তী অবস্থানে ফিরে যেতে পারতো।

যার ফলস্বরূপ জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় করোনার স্বাস্থ্যবিধি আইন কঠোরভাবে মেনে চলার প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে, তবে যে কেউ তাদের কথায় কান না দিয়ে শুধু শুনে যাচ্ছে বরং এখন নিরাপদ শারীরিক দূরত্বের কোনও বালাই নেই, ফুটপাত, কাঁচা বাজার, মাছ-মাংস থেকে শুরু করে উন্মুক্ত জায়গায়, উচ্চমানের শপিংমল, সবকিছু আগের মতো চলছে বলে মনে হয়।

অন্যদিকে, করোনার সময়কালে চিকিৎসক, নার্স, মিডিয়া কর্মী, ওষুধ সংস্থার বেশ কয়েকটি কর্মচারী এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কিছু সদস্য পিপিইয়ের আওতায় আছেন। তবে, হাত ধোয়া এখনও কিছুটা চলতে থাকলেও মাস্কের ব্যবহার খুব সীমিত হয়ে গেছে। স্বাস্থ্যবিধির কথা মাথায় করোনার বিধিনিষেধ বাস্তবায়নের জন্য কঠোর এবং কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ, জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে জনস্বার্থে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দায়িত্ব পালন করা অতিবজরুরী।

একজন ব্যক্তির বাইরে যাওয়া কতটা নিরাপদ। করোনার মহামারীতে কোনও ব্যক্তির চলাচলে কোনও বিধিনিষেধ রয়েছে কিনা তা নিয়ে উদ্বিগ্ন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

এছাড়াও, অনেক বিশেষজ্ঞ ক্যাভিড -১৯ এর বিস্তার রোধে নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছেন, তবে আমরা ক্রমাগত অর্থ লেনদেন করছি, ঘড়ি, মোবাইল, চেইন-বেসলেট, কলম-চশমা ব্যবহার করা কতটা নিরাপদ বা ঝুঁকিপূর্ণ তা আমাদের মাথায় রাখতে হবে।

আমি মনে করি যে, একাধিক রোগীর ক্ষেত্রে ডাক্তাররা একই বিপি এবং থার্মোমিটার ব্যবহার করছেন কিনা তা বিবেচনায় নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

সুস্থ্য থাকি-সুস্থ্য রাখি- জনসচেতনতা বৃদ্ধি করি। আর সু-স্বাস্থ্যই সকল সুখের মুল এই শ্লো-গানকে সামনে রাখি।

লেখকঃ সাংবাদিক এবং কলামিস্ট, rana5w1h@gmail.com