সু-শিক্ষায় জাতীর মেরুদন্ড

CNNWorld24
CNNWorld24 Dhaka
প্রকাশিত: 9:02 PM, November 27, 2020

রানা চৌধুরীঃ শুধু কেবল মাত্র শিক্ষাই জাতীর মেরুদন্ড নয়।বরং প্রকৃত পক্ষে সু-শিক্ষাই জাতীর মেরুদন্ড।শিক্ষা মৌলিক ৫টি অধীকারের মধ্যে
একটি। কোন মানুষ এসএস সি-এইচএস সি বা এমএ অথবা যে কোন শ্রেণীর শিক্ষাই অর্জন করুক না কেন? মানবীয় গুনাবলীর
দিক থেকে সে নম্র,ভদ্র,সৎ,চরিত্রবান,শিষ্টচার ইত্যাদী গুন সম্পুর্ণ আদর্শ মানুষ না হতেও পারে।

আবার অনেক মানুষ আছে যারা কম শিক্ষিত অথচ সু-শিক্ষার আদলে জীবন তৈরীর ফলে পৃথীবিতে বিভিন্ন কর্ম ক্ষেত্রে স্বর্ণাজ্জল
সোনালী স্বাক্ষর রেখে গেছেন।যার ফলে ইতিহাসের পাতায় অমর ইতিহাস সৃষ্টি হয়েছে।আগুন আর এসিড ব্যতিত যেমন,সোনা খাঁটি
হয়না, তেমনি ধর্মীয় অনুশাসন, সু-শিক্ষা এবং আদর্শ শিক্ষকের স্পর্শ নাপেলে এক জন মানুষ প্রকৃত মানুষ হিসেবে আত্ব প্রকাশ করতে
পারেনা।

যদি পারতো তাহলে পরিবার থেকে রাষ্ট্র এমনকি বিশ্বব্যপী নানা শ্রেণী পর্যায়ে মানব সভ্যতার এতো অধপতন নেমে আসতোনা।শল্প
জ্ঞানী বা কম শিক্ষিতদের কখা হয়তো বা ছেড়েই দিলাম,তবে বড় বড় ডিগ্রী অর্জনকারী মানুষগুলো কেন আজ বহুমাত্রিক অপরাধের
খাতায় নাম লিখিয়েছে,ত্রুটি কোথায়? ত্রুটি সু-শিক্ষার অভাব।মেরুদন্ড ছাড়া যেমন মানবদেহ অচল তেমনি স্ব-স্ব ধর্মীয় অনুশাসন
এবং সু-শিক্ষা ব্যতিত জাতী সত্বার সু-বিকাশ অসম্ভ।চুলার আগুনে শত বছর মাটি পুড়লেও জমাট বাঁধেনা। সঠিক পদ্ধতির মাধ্যমে
কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে কাঁদা মাটিও ইটে পরিনত হয।যা দ্বারা সু-বৃহত দালান নির্মাণ সম্ভবে পরিনত হয়।সুতরাং সু-শিক্ষাকে
পিছনে ফেলে মানব সভ্যতার সু-বিশাল প্রবেশ দ্বারে প্রবেশ করা কল্পনা মাত্র।

পৃথীবিতে শিক্ষিত মানুষের সংখ্যা অনেক,কিন্ত সু-শিক্ষার তালিকা খুবি ছোট।আজ পৃথীবিতে সু-শিক্ষার ঘাটতি চরমে পৌছেছে,যার
ফালে প্রকৃত মানুষের সংকটে সারা দূনিয়া আজ যেন সমালেচিত।মনে রাখা প্রয়োজন সু-শিক্ষার আদলে এক জন শিশু সু-নাগরিক
হিসেবে বেড়েউঠে।এরি ধারাবাহিকতায় একজন সু-নাগরিক আদর্শ মানুষে পরিনত হয়।ফলশ্রুতিতে ওই ব্যক্তিই একসময় প্রকৃত মানুষে
রূপান্তরিত হয়।এসব সামগ্রীক প্রকৃত মানবীয় গুনাবলীর সমন্বয়ে একজন মানুষ অধিষ্ঠত হতে পারে ভালো মানুষের অবস্থানে যার
কোন বিকল্প নেই।

আর কোন মানুষের উল্লেখিত গুনাবলী যখন উৎকর্ষ সাধনের মধ্যদিয়ে চুড়ান্ত মাত্রায় পৌছে যায় তখন সে সাদা মনের মানুষ
হিসেবে আলো ছড়াতে থাকে।যার হাতে পরিবার,সমাজ,রাষ্ট্র এমনকি বিশ্ব প্রকৃতিও নিরাপদ।তাই এক মাত্র স্ব-স্ব ধর্মীয় অনুশান এবং
সু-শিক্ষায় পারে এই কুলষিত এবং সমালোচিত বিশ্ব সমাজ কে আলোর পথ দেখাতে।সু-শিক্ষায় জীবন গড়ী,পরিবার,সমাজ,দেশ,জাতী
এবং বিশ্বায়নে ভূমিকা রাখি। অপশিক্ষা নিপাত যাক-সু-শিক্ষা মুক্তি পাক।।