ইউটিউবে ‘ভবিষ্যতের চোখে বাংলাদেশ’

Desk Reporter
Desk Reporter
প্রকাশিত: ১২:৩৬ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ২৪, ২০২১

টেক সার্ভিস লিডার এবং ডিজিটাল বাংলাদেশের কানেক্টিভিটি পার্টনার গ্রামীণফোন ‘ভবিষ্যতের চোখে বাংলাদেশ’ শীর্ষক সময়োপযোগী উদ্যোগ নিয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বপূর্ণ ইতিহাসকে অমর করে রাখার জন্য গ্রামীণফোন মুক্তিযুদ্ধের ৫০ বছরে ঘটে যাওয়া অবিস্মরণীয় ঘটনা থেকে কিছু ঘটনা বেছে নিয়েছে।

আর সেই ঘটনাগুলো শিশুদের উপযোগী অ্যানিমেটেড কার্টুন আকারে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা হয়েছে। সেগুলি গ্রামীণফোনের ইউটিউব চ্যানেল এবং ফেসবুক পেজে ভিডিও কনটেন্ট আকারে পাওয়া যায়।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রামীণফোন পঞ্চাশের দশকে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং ১৯৭১ সালে দেশের স্বাধীনতার জন্য বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ জনগণের আত্মত্যাগকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে। মুক্তিযুদ্ধের এই ইতিহাস আগামী প্রজন্মকে সাহস যোগাবে এবং বাঙালি জাতির বীরত্ব ও দেশপ্রেমের সত্য ঘটনা নতুন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসাকে তীব্রতর করবে বলে সংগঠনটি বিশ্বাস করে। আর গ্রামীণফোন তাদের এ বিষয়ে জানানোকে তাদের দায়িত্ব মনে করে।

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পরবর্তী প্রজন্মের সাথে শেয়ার করতে সম্প্রতি একটি ওয়েবিনারের আয়োজন করেছে গ্রামীণফোন। গ্রামীণফোনের হেড অব কমিউনিকেশনস খায়রুল বাশারের উপস্থাপনায় ওয়েবিনারে অংশ নেন নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু, বীর মুক্তিযোদ্ধা, গ্রামীণফোনের সিএমও সাজ্জাদ হাসিব, হেড অব মার্কেটিং নাফিস আনোয়ার চেইধুরী এবং গ্রে-এর সিইও গাউসুল আলম শাওন।

এ উপলক্ষে গ্রামীণফোনের ইউটিউব চ্যানেলে অ্যানিমেশন সিরিজের উদ্বোধন করেন মুক্তিযোদ্ধা নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু।

মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ঘটনা সংগৃহীত হয়েছে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাক্ষাৎকার এবং যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে প্রকাশিত বই, ম্যাগাজিন ও সাময়িকী থেকে। আর সেগুলো পড়েছেন অপি করিম, তারিক আনাম, ফজলুর রহমান বাবুর মতো জনপ্রিয় অভিনেতারা। বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু এই উদ্যোগের সাথে সরাসরি জড়িত ছিলেন।

এই উদ্যোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, আমাদের মুক্তিযুদ্ধকে এই প্রজন্মের কাছে পরিচিত করার জন্য এটি একটি মহৎ উদ্যোগ। শিশুদের সামনে আমাদের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে তাদের মতো করে, তাদের ভাষায়। যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে আমাদের ইতিহাসকে ধারণ করতে সাহায্য করবে।

গ্রামীণফোনের সিএমও সাজ্জাদ হাসিব বলেন, “আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধারা অদ্ভুত সাহসিকতার উদাহরণ রেখে গেছেন। আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাসে অনেক শিক্ষণীয় বিষয় লুকিয়ে আছে যা আমাদের নতুন প্রজন্মকে আগামী দিনগুলোকে জয় করার পথ দেখাবে। ৫০ বছরের এই অর্জনের ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠছে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। বিজয়ের সারমর্ম পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। আমাদের আশা এই উদ্যোগের মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম তাদের মতোই স্বাধীনতার ইতিহাস জানবে, বুঝবে এবং শিখবে। সুবর্ণ জয়ন্তীর এই মুহুর্তে বিজয়ের মাসে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে যাক দেশপ্রেমের এই আলো।

অভিভাবক বা অভিভাবক হিসেবে আমাদের সকলের দায়িত্ব আগামী প্রজন্মকে বাংলাদেশের ইতিহাসের সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। তাই পঞ্চাশের দশকে, আসুন আমরা আমাদের সন্তানদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বলি। এসব ঘটনা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে দেশপ্রেমের আলো ছড়িয়ে দেবে, এই প্রত্যাশা নিয়ে কাজ করছে গ্রামীণফোন।